প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Wednesday, July 9, 2025

টুকরো ক্যালেন্ডারে

 টুকরো ক্যালেন্ডারে




পেরোতে পারিনা।

১৯৯০ সাল, বড়জোর ৯১,৯২। তারপরে আর 

ডানা ঝাপটিয়ে

ওড়েনা ক্যালেন্ডার। ভাবি,

এইভাবে ডানাকাটা পাখি হয়ে

বেঁচে থাকা যায় নাকি। অথচ আমি তো 

—কিভাবে জানিনা

২০২৫ এ পৌঁছে গেছি। তবে আমি

ভূত? প্রেত বা যক্ষ? আগলিয়ে বসে আছে

ক্যালেন্ডারের ছেঁড়াপাতা ভরা 

দিন ও তারিখ গুলি? নাহলে কিভাবে

কলেজ-দেওয়ালে পা ঝুলিয়ে

বসে দেখি

“শ্রীরাধা” হল্‌ এর  ম্যাটিনি-টিকিট ভিড়? “রাধা”র সতীন

“শ্রীদুর্গা” হল্‌। মুখামুখি। ম্যাটিনির

দর্শক ক্রমে দুর্গারও নাভি ঘিরে

অর্ধবৃত্তে মাছিদের মতো

এখন জমছে, ক্রমে। কলেজ-দেওয়ালে 

পা ঝুলিয়ে বসে বসে

দেখি “শ্রীরাধা”র জঙ্ঘার মাঝখানে

গ’লে গেলো ভিড়। ডানা 

ঝাপটায়, তবে,পোস্টার গুলি 

উড়তে পারেনা। “বই” এসে চলে গেলে —

“বই” এসেছিল এ ঘোষণা নিয়ে

আরো কিছুদিন ঘোরে

টুকরো টুকরো, টুকরো নক্সী

কাঁথার মফস্বলে। বৃষ্টিতে শিলা

পতনের মতো এসব ছবিই ঝরে

আমার ভূগোলে। “বিভাবরী যায়

জাগরণে” – গান 

এ গ্রহেও চলে আসে

যেখানে এখন ২০২৫ –

‘২৪ পার হয়ে। আসবে অচিরে

‘২৬ ও এই 

গ্রহের ক্যালেন্ডারে। আমার ভূগোলে

হাওয়া ঘুরে যাবে 

‘৮০-৯০’এ ফিরে। স্বেচ্ছা-বন্দী

আমি তবে এই 

টুকরো ক্যালেন্ডারে?

ঘুম ঘর