প্রবেশিকা

ক্ষুদ্রতম কথাটিও, প্রিয়,
বৃহতের কাছে পৌঁছে দিও ...
নতুবা কেমন তুমি কবি?
মাঝে মাঝে শুধু চিঠি দিয়ো...
কতো পথ পেরোলে অথবা
কত পথ বাকি আছে আজো –
- এইটুকু খবর জানিও...
আমি সেই চিঠিতেই খুশি...
আমার কথাটি তুমি, প্রিয়,
বিরাটের পায়ে রেখে যেয়ো।
**************************************************** **

Sunday, March 29, 2015

পত্রলেখা





পত্রলেখা
এবার নিজের নামে একখানা চিঠি লিখতে হবে;
ইমেইল মেসেজ নয় – শুভঙ্করী কালি ও কলমে।

জমির দলিল, চিঠি, শ্রাদ্ধ ও বিবাহ চিঠিতে
বেশ্যাবোনের কাছে “আইনত” যাওয়ার হোটেলে
 এবং  সর্ববিধ “দরকারি” দস্তাবেজে, নীচে,
বাধ্যতামূলক লেখা – “পার্মানেন্ট এড্রেস” আর পিন্‌ ,
যে চিঠি নিজের নামে – ঘুণাক্ষরে তার লেফাফাতে
অস্থায়ী ঠিকানা থাকবে? “কেয়ার অফ্‌” এ “হে ঈশ্বর” আর
সম্বোধনে লেখা থাকবে – “ ওহে, তুমি –
জন্মান্তের ঘাতক আমার” ... ? ...

ঠিকানা “অস্থায়ী” তাই  ঐ চিঠি রি-ডাইরেক্ট্‌ হয়ে
উড়েযাবে নানাহাতে, নানারাতে, নানা অজুহাতে
বেশ্যাবোনের মতো – নানাদিন – নানা ডাকঘরে –
“স্থায়ী” ঠিকানার থেকে পলাতক আমি একা
শিয়াল ও কুত্তার সাথে ঝিঁঝিঁডাকা পথে নামলে পরে
চিঠির অক্ষরগুলি বিলুপ্ত কম্পাসহেন
আরেক মানচিত্র আঁকবে – অন্ধকারে – ঘুমের শিয়রে -

কখনো নারীকে নিয়ে





কখনো নারীকে নিয়ে
কখনো নারীকে নিয়ে বিশদ ভাবিনি।

বহুজন্ম পাশাপাশি, কাছাকাছি তবু
বৃক্ষনাম না জেনেই বৃক্ষতলে আশ্রিতের মতো
বেঁচে আছি – প্রেমে, কামে, ঘৃণায় আর রিরংসায়, মোহে –
রহস্যগ্রন্থের মতো প্রতিপত্রে শিহরণ শেষে
দেখেছি শেষের পৃষ্ঠা প্রতিবারই পোকায় কেটেছে।
কাহিনীকারের প্রতি অহেতুক নির্ভরতাহেতু
পাতা উল্টেগেছি আর কবিতাও লিখেছি, তথাপি
কখনো নারীকে নিয়ে বিশদ ভাবিনি ...
অদ্যাবধি আমি তাই
বয়ঃসন্ধিঘোরলাগা বালকের মতো
আড়ালে দাঁড়িয়ে শুনি নারী নিয়ে যতো কেচ্ছা, যতো কানাকানি ...

যদিও নাড়ির টানে বহুজন্ম বাঁধাআছি তবু
কখনো নারীকে নিয়ে বিশদ ভাবিনি।