প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Saturday, March 14, 2026

লাঞ্চে

 লাঞ্চে


লাঞ্চে এসেছি। অফিসের কেজো দলে

ভিড়বো না বলে পালিয়ে এসেছি এক

এমন দোকানে যেখানে আসেনা খুব

আমাদের অফিসের লোক। তবে

সংলগ্ন অন্য অফিসের অন্য অন্য

কেজোগণ আসে। তাই

ভিড় আছে। অর্ডার দিয়ে 

অপেক্ষায় বসে থাকতে হয়। এইটুকু 

 সময় বা না সময় ধরে আসে উড়ে

এনুয়েল ফেস্টিভাল রাত 

এগারো ক্লাসের।  আসে বাবার চেহারা 

ফুলহাতা গেঞ্জি গায়ে গ্রীষ্মের ছুটি দ্বিপ্রাহরে। আসে..

কতো কি যে উড়ে আসে, এসে

কচুরিপানার মতো

ঢেকে দেয় মগজ, সময়

আগামাথা পাইনা কিছুই। ভাবি

এ শুধু আমার নাকি

দাদ হাজা পাঁচরার মতো

প্রত্যেকেরই

লুকানো অসুখ? মনে আসে কচুরিপানায় ঢাকা

একজন পুকুরের মুখ।  পানাভর্তি পুকুর। পাড়ে পাড়ে

গাছ। গাছতলে বাচ্চারা

খেলে। গাছ থেকে ডাল ফল

মাঝে মাঝে ঝরে। বাচ্চারা

জলে ঢিল ছোঁড়ে মাঝে মাঝে।

পানা ফাঁক হয়। জল দেখে

পানা ফাঁক করে। কয়েক পলকে

আবার পানায় মুখ ঢাকে

জল। মাথার পুকুরো

স্মৃতির পানায় ঢাকা

এভাবেই আগালেদিঘালে। চালকলা বাঁধা

কাজ ঢিলের মতন এসে

কেজো করে কয়েক পলক। তারপরই

আবার কচুরিপানা, স্মৃতিছবি এসে

ঢেকে দেয় পুকুরের

জলের শরীর।


Sunday, March 8, 2026

মুখামুখি

 মুখামুখি


কি চেয়েছি কি পেয়েছি’র মুখামুখি

কি দিয়েছি কি নিয়েছি এসে

কখনো দাঁড়ালে, যখনই দাঁড়ায় –

কেন তাকে দেখায় কুন্ঠিত? খদ্দর পাঞ্জাবী জিনস স্কার্ট 

বাবুবিবিদের বুদ্ধিমত্ত কাব্য বাসরে

চা কফি বরফ দিতে আসা

ছাপাশাড়ি চাকরানি বা ঢোলা পায়জামা পড়া

চাকরবাকর? অথচ আসর ভঙ্গে

সেই তুলে রাখে কাপ মদের বোতল গ্লাস

ঝাড়ু দিয়ে জড়ো করে ভাঙ্গা কাঁচ কন্ডোমের গুঁড়ো

সিগারেট বিড়ি টুকরো

হাতে তুলে ফেলে ডাস্টবিনে। ঝেড়েঝুরে সোজা করে রাখে

সোফাসেট তাকিয়া জাজিম। সেই তো রান্ধাবাড়া করে

জোগায় সুষম পুষ্টি

বাবুবিবিদের অঙ্গে

প্রত্যঙ্গে এবং খুলিতে। তবু এ’ই

কি দিয়েছি কি নিয়েছি

প্রশ্ন সততই

কি চেয়েছি কি পেয়েছি’র 

মুখামুখি হলে

কাচুমাচু। যেন তার থাকা হয়

অতি দোষনীয়।


ঘুম ঘর