প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Sunday, January 28, 2024

খড়কুটো

 খড়কুটো

–-----







মা দেয় মেয়ের চুল বেঁধে৷ দুপুরের ছাতে

দিহাড়ী মজদুরি থেকে এক চুল আলস্য-সময়

আড়ালে আঁচলে বেঁধে নিয়ে

মা দেয় মেয়ের চুল বেঁধে৷ একজন দু:সাহসী,

সম্ভবত পরিচিত, বিড়াল- বালক

এনামেল থালাটির দিকে অবলীল এলে,

এনামেল থালা থেকে তুলে

কন্যার কিশোরী হাত কি এমন দেয় ওই

বিড়াল-বালকটিকে, যা তাকে উজ্জ্বল করে আর

‘আনন্দ’ শব্দটিকে লুফে

সে তার ছোট্ট থাবা দিয়ে

ছড়ায় এ দুপুর আর 

দুপুরের ছাতে? এনামেল থালা থেকে তুলে

কন্যার কিশোরী হাত

যা দেয়, যা'ই দেয়, তা

আমাদের আছে বা ছিলো কি

কোনোদিন?  আজ নেই৷ তবে 

ছিল —- শস্তা চিরুনী-দাঁতে আটকানো 

রুক্ষ একটি দু'টি চুলের মতন

মমতা, করুনা, প্রীতি —- এনামেল থালার এক ধারে

যত্নে জমিয়ে রাখা 

শাকভাত, মাছ-কাঁটা,মাংস-হাড়

মমতায়, প্রীতি, করুনায়৷ এ সবই অনেকদিন আগে

যদিও বিক্রি হয়ে গেছে, তবু এই

চুলবাঁধা ছবি, এই চিরুনিতে আটকে থাকা চুলে

টের পাই আশ্বাসের খড়কুটো আছে৷ 


–--- 


ঘুম ঘর