প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Thursday, November 10, 2011

পল্‌ রব্‌সনের ‘ও’ল্‌ ম্যান রীভারে’র ছায়ায়


পল্‌ রব্‌সনের ‘ও’ল্‌ ম্যান রীভারে’র ছায়ায়

এই গানটি, ২০০৪ সালের শেষ দিকে, এক দিন, ক্যালিফোর্নিয়া থাকার সময়, এক নিগ্রো ড্রাইভার গেয়েছিল। হোটেলে। আমার কোঠায় বসে।
মাতাল হয়ে। ঐ সময়েই গানটির ছায়ার এ’টি রচিত হয় ... আমার বেসুরো কন্ঠে অনুবাদটি’ও গাইয়ে নিয়ে রেকর্ড করেন সেই বৃদ্ধ ড্রাইভার। আজো মাঝে মাঝে চালিয়ে শুনি আমার গাওয়া সেই গান ... সেই বৃদ্ধের সম্মানে, স্মৃতিতে ...


হিজি বিজি রেখা
অযুত বছরের
সারা মুখে নিয়ে
সে এক বুড়ো নদী
যে সব কথা জানে
তবুও চুপ থেকে
নীরবে বয়ে চলে
সে কোন্‌ মোহানার দিকে

ফলায় না সে ধান
লাগায় না সে গাছ
শুধুই বয়ে চলে
নীরবে বয়ে চলে
সে কোন্‌ মোহানার দিকে

যারা ধান বোনে
যারা বীজ বোনে
তাদের ভুলে গিয়ে
সহজে সকলে নদীর পানে চেয়ে থাকে
তুমি ও আমি মিলে
বসত গড়ে তুলি
শরীরে ঘাম ঝরে
পেশীতে ব্যথা তাই
মাতাল হতে চাই
তালের মদ গিলে
শিকলে বাঁধা পড়ি শেষে

বেঁচে বেঁচে আমি ক্লান্ত হতে থাকি
মরতে ভয় করে
পুড়ে যেতে থাকি
মগজে ও মনে
বুড়ো এ নদী তবু
বুড়ো এ নদী আজো

নীরবে বয়ে যেতে থাকে
আমাকে যেতে দাও
এ নদী পিছে ফেলে
সমাজ ও সভ্যতা
নগর সব ছেড়ে
কোথা সে নদী তার
বৈতরণী নাম
সুদূর আকাশের কাছে

আমি এ সব ফেলে
এ নদী পার হবো
যেখানে তার খুশী
তার কি কাজ বলো
তোমাকে মনে রেখে
সে শুধু চলতেই জানে


ঘুম ঘর