প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Sunday, December 21, 2014

বন্ধুদের মিস্‌ড্‌কল্‌ ও টেক্সট্‌ মেসেজগুলি …

বন্ধুদের মিস্‌ড্‌কল্‌ ও টেক্সট্‌ মেসেজগুলি …
রাষ্ট্রায়ত্ব শোকেতাপে ঘাড় গোঁজ করে থাকা তিনরঙ্গা পতাকার মতো
আমার মোবাইল ফোন ৩৬৫ দিনই সাইলেন্ট্‌ মোড্‌ এ রাখা থাকে।

কখনো অফিস থেকে ফিরেআসা পথে অথবা রাত্রির শেষ সিগারেট মুখে
বারান্দায় দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে একে একে খুলেদেখি
বন্ধুদের মিস্‌ড্‌কল্‌ ও টেক্সট্‌ মেসেজগুলি …

তারপর ফোন করবো, মেসেজ পাঠাবো ভেবে ভেবে
ভাবনা দূরে চলেযায় আমাকে বারান্দায় একা অন্ধকারে রেখে …

কখনো এ ফোন যন্ত্রটিকে মনে হতো পারাপার, সাঁকো –
মনেহতো তারি কৃপাবশে পেরিয়ে এসেছি যেন প্রকৃতই অন্তহীন পথ …
মনেহতো যেন প্রকৃতই মুখোমুখি বসে আছি বন্ধুর কিনারে সেই নদীটির ধারে …

ইদানীং বন্ধুদের ফোন দেখলে ভীত হই…বেদনার্ত হয়েউঠি নিজেরি আড়ালে –
কেননা এখন এই ফোন যন্ত্রটিকে পারাপার, সাঁকো নয় – মনেহয় সে অক্রূর দূতী –
প্রতিটি বাক্যে, শব্দে, টেক্সটের প্রতিটি যতিতে
সে জানায় কি অগাধ নদী
বয়েযায় বন্ধু আর আমার এই অস্তিতের মধ্যবর্তী উপত্যকা জুড়ে …

তাই আমি কথাগুলি, এস্‌এম্‌এস্‌গুলি যেদিন সাক্ষাৎ হবে সেদিনের তরে
লিখেরাখি অন্ধকারে – জোনাকির নিবিড় অক্ষরে –

যদি দেখা না’ই হয় আর তবে সেই কথাগুলি তুমি

খুঁজেপাবে জলেডোবা পৃথিবীর শেষ ডাকঘরে।।

ঘুম ঘর