বাংলা
নামের গ্রহে
ছিলেন
সে এক দেবী, সংস্থিতা
মাতৃরূপেণ।
ছিল তাঁর
আবাহন, বিদায়
ও বোধন
বাংলা
নামের গ্রহে,
প্রতি ঘরে ঘরে।
ছিল সেই
ঘরগুলি,
‘গৃহ’ বলা হতো
যাকে,পায়ে
চলা পথশেষে
“গৃহিণী
গৃহম্ উচ্চতে” -
আম,নিম,
কাঁঠাল ছায়াতে।
তখন
ছিলেন দেবী সংস্থিতা মাতৃ
রূপে,নিদ্রারূপে,
ক্ষুধা,তৃষ্ণা,লজ্জা,শান্তিরূপে।
পাশাপাশি সামন্ত প্রভুর
ঠাকুরদালান ছিল, অহমিকা,
অত্যাচারও ছিল।
তবুও
কোথাও
ছিল মন্দ্র এক মন্ত্রহেন সুর
বাংলা
নামের গ্রহে । সম্বৎসর ধরে
প্রকৃত প্রতীক্ষা ছিল
দেবীর
আসার বাংলা নামের গ্রহে
প্রত্যেকের
গৃহে গৃহে,
দাওয়ায়,
দাওয়ায়।
ছিলেন
বীরেন ভদ্র দৈববাণীহেন বাংলা
নামের গ্রহে
শরৎ
ঋতুর ভগীরথ। তারপর বিয়াল্লিশে,
ছেচল্লিশে
নাকি
উনিশশো
সাতচল্লিশ কিংবা তারো আগে,
পরে
কোনো
এক সালে বাংলা নামের গ্রহ
ব্ল্যাকহোল হয়েগেলে পরে
ব্ল্যাকহোলের
প্রেত ও বামনেরা বসতি গড়লো
ফের
গ্রহান্তরে,
ইঁদুরের
মতো। ইঁদুরির মূর্তি গড়ে
'দেবী'
বলে
সাজালোও
তাকে সম্বৎসরের মতো তবে জানলোনা
প্রকৃত
মাতৃরূপে
সংস্থিতা দেবী আর এই গ্রহপথে কখনো আসবেনা
কেননা
মাতৃরূপে সংস্থিতা দেবী
ছায়াপথে
ভ্রাম্যমতী
একা
একা
রাস্তা
হারিয়ে।