প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Thursday, December 13, 2012

দুটি কবিতা






পন্ডিত রবিশংকর স্মরনে

তবুও বেহাগ বাজবে, বেজে যাবে ইমন, বাহার –
আলাপ, বিস্তার হয়ে অন্তরার কিনারে আবার
সেই স্বরই ফিরে আসবে ধ্রুবপদ হয়ে –
যোগিয়ার অবরোহ ছুঁয়ে মুছেযাবে নিশুতি আঁধার ...
তাই তুমি চলে গেছো পার হয়ে অস্থায়ী সকল অন্তরা,
রেখে গেছো শুদ্ধ স্বর, যতি ও সেতার ...







আলো আমার কালো আমার আলো...

কবি শুধু অন্ধকারই লিখে যেতে পারে,
যতোই আলোর কথা ছন্দে সুরে বলে
ততো তার গুপ্ত চোখ আরো অন্ধকারে
খুঁজেচলে লুপ্ত যুগ, স্থাপত্য ও জলমগ্ন শিলা –
সে লীন আঁধারে ডুবে ক্রমে ক্রমে টের পায় কবি
আঁধারই প্রকৃত পুষ্প, মাতৃগর্ভ, অতল, অধরা ...
আঁধার-মহিমা গায় কবি ঐ শোনোঃ
‘আলো আমার  কালো আমার
                   আলো ভুবন ভরা ...”

ঘুম ঘর