প্রবেশিকা

**************************
আমি অত্র। আমি তত্র।
অন্যত্র অথবা –
আমার আরম্ভে আমি
নিশীথিনী, প্রভাতসম্ভবা।
**************************


[ পাঠক /পাঠিকার নিজস্ব বানানবিধি প্রযোজ্য ]

Thursday, May 6, 2021

খড়িতে লিখিত কথা

 খড়িতে লিখিত কথা

 

আমাদের কথা

 আমাদের পাথর ভেঙ্গে যাওয়া

আমাদের দাঁড় টেনে গান গাওয়া

আমাদের মাছ নিয়ে যায় চিল

আমাদের পদ্যে অন্ত্যমিল

 #

আমরা মাত্রা বুঝিনা

আমরা ছন্দ খুঁজিনা

আমাদের অন্ধকারে ঢিল

আমাদের পদ্যে অন্ত্যমিল

#

 আমাদের একটিও নেই বাঁশি

তবু মনটা বনবাসী

খোঁজে সমুদ্দুরের নীল

আমাদের পদ্যে অন্ত্যমিল

 #

আমাদের পদ্যে অন্ত্যমিল

আমাদের মাছ নিয়েছে চিল ।।


পাতা ঝরে

 পাতা ঝরে।

ঝরেছিল।

ঝরবে, ঝরুক।

ভুলেযাবো,

ভুলেযাই , রোজই ,

কিছু চোখ

কিছু কিছু মুখ।

#

মুখাগ্নিতে সব মুখই ধূসর, উজ্জ্বল

স্বাতী নক্ষত্রের থেকে ঝরেপড়া জল

চেয়েছিল সব মুখই

দৃষ্টিছাড়া চোখে

#

                      কেউ পেলো?

#

নিঝুম উঠান ভরে

                   পাতাদের শবে।

 

 শার্দুল

 স্মৃতি মরু? মরীচিকা? ক্ষত ? ক্ষতস্নান ?

দীপ? শিখা? না'কি শুধু

মনগড়া ভুল ?

শেষ দৃশ্যে তোমাকেও, জেনো,

গিলে খাবে স্মৃতির শার্দুল ।

 অমৃত

 ঋণ কর –

মদ খাও,

কুক্কুট-মাংস খাও

দিয়ে গব্য ঘৃত

কেননা প্রতিটি কানা

জানে মনে মনে

গণিকা-ভগিনী-যোনি-

ভিন্ন নাহি

কোনোও অমৃত।

 

ভস্ম ঝরে পড়ে

 টানা

ঝুল বারান্দার শেষে

আরামচেয়ারে বসে

খবরকাগজ পড়ে

আমার জীবন ।

আমার যাপন ফেরে

ভিক্ষা করে

নগরে বন্দরে

নানাদিন

নানা ভেক ধরে ।

আর

দূরে,

গ্রহান্তরে

জীবন ও যাপনহীন

আমি

পুড়ি

একা।

এই গ্রহে

ভস্ম ঝরে পড়ে।

 

আমাদের সকল সঞ্চয়

আমাদের সকল সঞ্চয়

অপচয়

হয়ে যায়

আমাদেরই ভাগ্য-প্রতিভায়।

অন্যথায়

জীবনের যমজ যাপন

সারাক্ষণ

মাছির মতন

খেয়ে যেতো দৈব অভীপ্সায়

আমাদের সব রক্ত

সব অভিপ্রায় ।

 

 

 

ঘুম ঘর