জাতক
অনাথ শিশুর মতো সংখ্যাতীত জননী আমারো।
মুহুর্মুহু আমি তাই মাতৃহারা হয়ে
মুহুর্তেই জাত হই আবারো শ্মশানে ।
অথচ পিতাটি মাত্র একজনই তবু
সব মাতা অনিচ্ছায়ও ভুলেছে চেহারা-
কোনো পিতা ভিক্ষা করে, কোনো পিতা বিক্রি করে
মোড়ে ঝাল মুড়ি –
স্টেশনে বিষণ্ণ মুখে অনেক পিতারা
আমারই পথটি চেয়ে বসে থাকে-জানি -
চলন্ত ট্রেনের থেকে লাফ দিয়ে আজো
কদাপি তাদের দেশে নামতে পারিনি...
আমার পিতার ভস্ম মেঘ হয়ে নেমে আসে প্রতিটি আষাঢ়ে।
আমার মায়ের চিতা রোজই জ্বলে অন্ধকারে প্রতি নদীপাড়ে।।