প্রবেশিকা

ভিড়েই রয়েছি মিশে, নিজবেশে, তাই চিনতে পারছেনা কেউ। এ'ই স্বাভাবিক। ম্যাজিক-মাহাত্ম্য ছাড়া, ম্যাজিক-মাহাত্ম্যের মূলে অন্ধকার টুপি আর ঝোলা কোট ছাড়া, কে হে আমি? কে’বা আমি? কিভাবে ভিড়কে বলি ইন্দুরে কেটেছে টুপি, লাল-নীল রুমালের ঝাঁক উড়ে গেছে পায়রা, কাক হয়ে...

Sunday, April 17, 2016

আচোদ আনাড়ি’র গল্প




আচোদ আনাড়ি’র গল্প

বিষাদ আমার সঙ্গে শ্রান্তিহীন পাশা খেলে চলে।
খোয়া যাবে জেনেও ঘুঁটিকে সামনে এগিয়ে দেয় –
মহানুভবতা আর জন্মগত সহানুভুতিতে।
আমি ভুল চাল দিলে ইচ্ছে করে লক্ষ্য করেনা।
আকাশে তাকিয়ে থেকে আমাকে সময় দেয়
চাল শুধ্‌রে নিতে। খোয়া যাবে জেনেও সে
বাজি রাখে ভ্রাতা আর রতি প্রতিমার মতো
নিতম্বিনী নিজ পত্নীটিকে। স্ব ইচ্ছায় বাজি হেরে ধীরে
স্ব ইচ্ছায় চলে যায় ভিক্ষুবেশে বনে।

তার এই অন্তর্ধানে আমি বিষম বিপন্ন বোধ করি।
কিছুদিন একা একা পাশা খেলে ক্লান্ত হলে পরে
চোর বাজার থেকে আমি কিনে আনি নেপালের ছুরি।
ভাবি  গলা কেটে ফেলবো অথবা কোনো শিরা –
তখনি সে সুসংবাদ নিয়ে তার কাছে উড়ে যায় বিষাদপাখিরা...
পলকে বিষাদ ফেরে অতিশয় রতিপ্রিয়া দ্রৌপদীর বেশে।
ছুরি ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে খুলে দেয় ভরা বুক, নীলাম্বরী শাড়ি –
মুচকি হেসে আমি গিয়ে শয্যা নয়, পাশাছক সাজি।
হারামী বিষাদও হাসে। বলে “শালা, আচোদ আনাড়ি...”

ঘুম ঘর