বইএর মার্জিনে
আমি যে গ্রন্থই পড়ি
তাদের অনেক পৃষ্ঠায় এবং মার্জিনে
লিখে রাখি পাঠক্রমে মর্মে উড়ে আসা
সংলগ্ন, অসংলগ্ন
নানা কথা, নানান ভাবনা।
আকৈশোর আমার স্বভাব।
পরে এই নোটগুলি চোখে পড়লে ভাবি
কার জন্য লিখে রাখছি এই সূত্রগুলি?
এসকল গ্রন্থগুলি পুনরায় পড়বার মতো
অবকাশ আর
এ জীবনে হবে কি আমার?
না’কি এই ছিন্নসূত্র গুলি
অক্ষরে বিশদ করা
সম্ভব হবে এই বাকীটা জীবনে?
সন্ততিরা পড়বে কি?
ভাববে কি তারা এই সূত্রগুলি নিয়ে?
না’কি ঘরে অন্যবিধ সামগ্রীর তরে
স্থান সংকুলানহেতু
একদিন গ্রন্থগুলি তারা
বেচে দেবে
কোনোও দোকানে
কিলো দরে? ...
তারপর হাত ঘুরে, নানা হাত ঘুরে
অচেনা পাঠকজন বহুযুগ পরে
ছিন্ন এই সূত্রগুলি যদি পাঠ করে ...
যদি জাগে একরাত্রি
সংলগ্ন, অসংলগ্ন সেই সব কথার শিয়রে ...
জানিনা।
তবুও লিখি
চিন্তাগুলি
বইএর মার্জিনে।